Hello Everyone !! This is a very interesting post of 2021 on my website. Hope everyone will read it carefully
Topic: আলো ঝলমল রোশনাইয়ের উৎসবেও রীতিমত অন্ধকারে প্রদীপ নির্মাতা মৃৎ শিল্পিরা
#প্রযুক্তির ব্যবহারে বর্তমানে সঙ্কটে মাটির প্রদীপ স্রষ্টা মৃৎশিল্পিরা। অন্ধকার অমানিষার অবশান ঘটাতে দিপাবলী উৎসব অর্থাৎ প্রদীপের আলো দ্বারা আলোকোজ্জল করা রাতকেই দীপাবলী আখ্যা দেওয়া হয়। বাঙালীরা দীপাবলীকে শ্যামা মায়ের পুজো হিসেবেই মান্যতা দিয়ে থাকে। দীপাবলী হোক কিংবা শ্যামাপূজা অমাবস্যার এই রাতকে আলোর চাদরে মুড়ে ফেলাতে কার্পন্য নেই কারুর। অমাবস্যার এই ঘোর অন্ধকারকে কাটাতে বাড়ির বাইরের চতুর্দিকে মাটির প্রদীপ জ্বালিয়ে আলোকজ্জ্বল করে রাখাটাই যুগ যুগের রীতি। কিন্তু বর্তমানে রীতির চাইতে মানুষের প্রযুক্তিতেই আস্থা। তাই দিন প্রতিদিন বৈদ্যুতিক বাতির নতুনত্ব মানুষকে আকৃষ্ট করে চলেছে। বিদ্যুতের মাধ্যমে আলোর কারুকার্যে মোহিত হয়ে নিজের বাড়ির শোভা বর্ধনে প্রায় সকলেই হাজার হাজার অর্থ ব্যয় করে তার ব্যবহার করে আসছে। পক্ষান্তরে এই প্রযুক্তির জাতাকলে একপ্রকার সঙ্কটেই মৃৎশিল্পীরা।দীপাবলী উৎসব উপলক্ষ্যে মাটির প্রদীপ বানিয়ে কিছু অর্থ রোজগারের আসায় অক্লান্ত পরিশ্রম করে শিলিগুড়ির বেশ কিছু কুমোর পাড়ার মৃৎশীল্পিরা। কিন্তু বর্তমান প্রযুক্তির কারনে একপ্রকার মার খাচ্ছে সেই সব মৃৎ শিল্পীরা। মৃৎশীল্পি রবীন সাহা, আক্ষেপ করে বলেন, এখন আর আগের মত তারা প্রদীপের দাম পান না।
তাছাড়া প্রদীপের যোগান থাকলেও ক্রেতার অভাবেও তাদের রুজিতে টান পড়েছে। ক্রেতা হ্রাসের কারন হিসেবে তিনি জানান, বৈদ্যুতিক আলোর মায়ায় সবাই মজেছে। নিয়ম রক্ষার জন্য কয়েকটা করেই অনেকে প্রদীপ কিনতে আসেন। কিন্তু দামের একটু তারতম্য হলেই তাও কিনতে চান না অনেকে। তাই সংকটে তাদের এই শিল্প। এমনিতেই যে মাটি দিয়ে তারা প্রদীপ বানায় তার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি জানান শিলিগুড়িতে এঁটেল মাটি পাওয়া যায় না। চোপড়া থেকে মাটি আনতে হয়। বর্তামানে মাটির দাম অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু প্রদীপের দাম সেই তুলনায় বাড়ে নি। তার ওপর এই মাটির প্রদীপ বানিয়ে রোদে শুকিয়ে তা আগুনে পোড়াতে হয়। আগুনে পোড়াতে গেলে লাগে কাঠ ও কাঠের গুড়ো। এক মন কাঠের দাম ৩০০ টাকা, এক বস্তা কাঠের গুড়োর দাম ২০০ টাকা। এদিকে দিনে ৩ হাজার মাটির প্রদীপ বানানো সম্ভব হয়। পাইকারি হিসেবে ৩ হাজার প্রদীপের দাম ৬০০ টাকা। এই টাকায় সংসার চালানো তো দুরের কথা। প্রদীপ বানানোর খরচটাই কোনো রকমে ওঠে। তবু পুর্ব পুরুষদের এই ব্যবসা তারা ধরে রেখেছেন৷ শিলিগুড়ির পুর্ব চয়নপাড়ার কুমোর পাড়ার প্রায় ৩০০ পরিবার এ সময় মাটির প্রদীপ বানিয়ে দিন যাপন করেন। যেহেতু এতে আয় খুব কম তাই বাড়ির পুরুষরা অন্য কাজে বেড়িয়ে পড়েন। কেবলমাত্র বাড়ির মহিলারাই মেশিনের সাহায্যে মাটির প্রদীপ বানিয়ে থাকে। তাদের এই কাজে সহযোগিতা করে থাকে বাড়ির কচিকাচারাও। পুরো পাড়া জুড়ে রাস্তার ধারে মাটির প্রদীপ বানিয়ে চলছে শুকোনোর প্রকৃয়া। দীপাবলির এখনও সময় আছে তাই তা এখনও পুড়িয়ে বাজারজাত করার প্রকৃয়া শুরু হয় নি। বাংলায় মাটির প্রদীপের কদর না থাকলেও তা রাজ্যের বাইরে মহারাষ্ট্র, দিল্লী, মুম্বাই, নাগপুর এমন কি দুবাইয়ে রয়েছে। সে কারনে এখান থেকে মাটির তৈরী সাধারন প্রদীপ যায় ভিন রাজ্য এমনকি ভিন দেশেও। ঐতিহ্যের প্রদীপের জায়গায় বৈদ্যুতিক আলোকমালা স্থান অধিকার করলেও মৃৎশিল্পিদের শৈল্পিক স্বত্বা টিকে রয়েছে কুমোরপাড়ায়।
#share #like #comment
Copyright Disclaimer:
Under section 107of the Copyright Act 1976, Allowance Made For “fair use” For Purposes such as Criticism, Comment , News, Reporting, Teching, Scholarship, And Research, Fair Use is a use permitted by copyright States That Might otherwise infiringing Non-profit, educational or personal use tip the balance in favorof fair use.
©All Right reserved for marufahmedraj.xyz If any other Authors re-upload this photo or post immediately action will be taken with a copyright strike so don’t Republish it.
