অনলাইনে টাকা ইনকাম করার সহজ উপায়:
অনেকের মাথায় একটা চিন্তা থাকে অনলাইনে সত্যিই কি টাকা ইনকাম করা যায়। আমি বলব হ্যাঁ, তবে আপনি আমার কথায় কেন বিশ্বাস করবেন?
আপনি আশেপাশে খোঁজ নিয়ে দেখতে পারেন; যেমন:- ফাইভার, আপওয়ার্ক, ফ্রিল্যান্সার ইত্যাদি এসব সাইটে ঢুকে দেখুন আসলে অনলাইনে প্রচুর পরিমাণে টাকা ইনকাম করা যায়।
ধরলাম বিশ্বাস করছেন, অনলাইনে ইনকাম করা যায় এবং আপনিও মনে-প্রাণে অনলাইনে টাকা ইনকাম করতে চান। এখন বুঝতে পারছেন না কিভাবে অনলাইনে টাকা আয় করা যায়।
চিন্তার কোসো কারণ নেই, আপনি একদম ঠিক জায়গায় এসেছেন। আমি এখানে অনলাইনে টাকা ইনকামের ১৪টি উপায় বলে দেব। যেটা আপনার পছন্দ হয় সেটার উপর দক্ষতা অর্জন করে সহজেই টাকা ইনকাম করতে পারবেন।
৪. ইউটিউবিং করে আয়:
বাংলাদেশের অনেক বড় বড় ইউটিউবার আছে। এদের কারো কারো মাসের ইনকাম ৪০–৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। আপনিও চাইলে ইউটিউব ভিডিও বানিয়ে ইনকাম করা শুরু করতে পারেন।ইউটিউব ভিডিও বানাতে আপনার ক্যামেরা না থাকলেও চলবে। প্রথমে অনেক বড় বড় ইউটিউবাররা মোবাইল দিয়ে ভিডিও করে শুরু করে তাদের ইউটিউব যাত্রা। তারপরে সফল হওয়ার পরেই, এখন তারা দামি দামি গেজেট ব্যবহার করে।
আপনার কন্টেন্ট যদি ভালো থাকে, প্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে যদি আপনি ভিডিও বানাতে পারেন, তাহলে খুবই তাড়াতাড়ি আপনি ভিউয়ার পেয়ে যাবেন।
তবে, এক্ষেত্রে একটি ছোট্ট বিষয় টিপস দিয়ে রাখি আপনাদের। আপনারা যদি সত্যিই প্রফেশনালভাবে ইউটিউবে কাজ করতে করতে চান, তাহলে ভিডিওর অডিও এবং ভিডিও এডিটিং খুবই ভালো ভাবে করতে হবে।
তারপরে সর্বনিম্ন ১ হাজার সাবস্ক্রাইবার হয়ে গেলে এবং ন্যূনতম ভিউ টাইম হয়ে গেলে আপনি মানিটাইজেশন এর জন্য আবেদন করতে পারবেন সহজেই। এরপরে প্রতিটা ভিডিওতে মানিটাইজেশন একটিভেট করে নিলেই আপনার ইনকাম শুরু হয়ে যাবে।
এছাড়াও বর্তমানে ইউটিউব কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ছাড়াও আপনি বিভিন্ন জায়গা থেকে স্পন্সারের মাধ্যমে ইনকাম করতে পারেন। দেখা গেলো, কোনো একটা কোম্পানি কোনো একটা পণ্যের মার্কেটিং এর জন্য আপনার ভিডিও তে তার ওই পণ্য বিজ্ঞাপন দেয়ার জন্য বললো। আপনি এক্ষেত্রে বিজ্ঞাপন দিতে সম্মতি প্রকাশ করলে আপনাকে আপনার চাহিদা অনুযায়ী সে আপনাকে পেমেন্ট করবে।
৫. ভিডিও এডিটিং:
ভাব প্রকাশের সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম হলো ভিডিও। ভালো মানের ভিডিও সম্পাদন করার জন্য ভালো মানের ভিডিও এডিটিং এর খুব দরকার হয়।বর্তমানে ডিজিটাল কনটেন্ট এর মধ্যে ভিডিওর জনপ্রিয়তা সর্বাধিক তা ইউটিউব দেখলে সহজেই অনুমান করা যায়। ইউটিউবের এতো জনপ্রিতার মূল কারণ ভিডিও।
আমরা ইন্টারনেটসহ যত ভিডিও দেখি তার ৯৯.৯৯% এডিট করা। এডিট না করলে ভিডিও এর মান খারাপ হয়। নয়েজের কারণে শব্দ শোনা যায় না, তাছাড়া সম্পুর্ণ ভিডিওটি একেবারে করা যায় না।
বিভিন্ন খন্ড অংশের জোড়া-তালি দিয়ে একটি ভিডিও, নাটক বা চলচিত্র নির্মাণ করা হয়। এতসব করার জন্য একজন দক্ষ ভিডিও এডিটরের দরকার হয়।
বর্তমানে যেহেতু ভিডিও কনটেন্ট এর চাহিদা প্রচুর বেশি, তাই একজন ভিডিও এডিটরের অনেক চাহিদা। ভালো মানের ভিডিও এডিটিং শিখে এই সুযোগটাকে সহজেই কাজে লাগাতে পারবেন।
ভিডিও এডিটিং কাজ করে কত আয় করতে পারবো?
ভালো প্রশ্ন! মাসে কত আয় করবেন তা আপনার অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করে। তবে আনুমানিক হিসাব দিয়ে রাখি, প্রজেক্ট প্রতি $৫–$১০০০+ ইনকাম করতে পারবেন খুব সহজেই।
ভালো কাজ জানলে যেকোনো প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানে কাজ পেয়ে যেতে পারেন। তাছাড়াও ইন্টারনেটের মাধ্যমে অনেক টাকা আয় করতে পারেন।
৬. ফ্রিলান্সিং (Freelancing) করে আয়:
অনলাইনে যে পদ্ধতিতে সবথেকে বেশিই মানুষ রোজগার করে সেটি হলো ফ্রিলান্সিং (Freelancing)। বাংলদেশের বেকারত্ব কমাতে এই খাতটি অনেক বড় ভূমিকা পালন করছে এবং সেই সাথে অনেক দক্ষ মানুষ এই খাতে কাজ করে আমাদের দেশকে রিপ্রেসেন্ট করছে।
পুরো পৃথিবীর কাছে বাংলাদেশকে তুলে ধরছে। আসলে বিশ্বের অনেক বড় বড় দেশের মানুষের জানতোই না যে, পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ বলে একটা দেশ আছে। সেসব মানুষের কাছে বাংলাদেশকে পরিচিত করছে, আমাদের দেশের ফ্রিল্যান্সারগণ।
সেই সাথে প্রতি মাসে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স, তারা এনে দিচ্ছে বাংলাদেশে। তাই, এই ফ্রিলান্সিং এ যোগদান করে আপনি টাকা আয় করার পাশাপাশি এই গৌরবেরও অংশীদার হতে পারবেন।
এখনতাহলে আসি কিভাবে শুরু করবেন এই কাজ। ফ্রিলান্সিং বলতে মুলত বিভিন্ন ধরণের কাজ, যে কাজে আপনি দক্ষ সে কাজটি একটি নির্দিষ্ট পারিশ্রমিক এর বিনিময়ে করে দেয়া।
এখানে আপনার কাজ করার এবং আপনার যে ইমপ্লোয়ার তার নির্দিষ্ট কোনো জায়গা নাই। আপনি ঘরে বসেই আপনার কাজ সম্পাদন করতে পারবেন এবং আপনার ক্লায়েন্ট হবে বিভিন্ন দেশের। সময়ের সাথে সাথেই পরিবর্তন হতে থাকবে।
যাই হোক, সবার প্রথমে এখানে আপনার দরকার একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা। এটা হতে পারে গ্রাফিক্স ডিজাইনিং (Graphics Design), ফটো এডিটিং (Photo Editing), ওয়েব ডিজাইনিং (Web Design), ওয়েব সাইট মেকিং (Website Making), কপি রাইটিং (Copywriting), কন্টেন্ট রাইটিং (Content Writing), লোগো ডিজাইন (Logo Design), ইত্যাদি।
এইসবের যেকোনো একটি কাজে আপনি দক্ষতা অর্জন করতে পারলেই আপনি ফ্রিলান্সিং করতে পারবেন। আপনি যদি একাধিক কাজ পারেন, সেক্ষেত্রে আপনার টাকা ইনকামের সুযোগ অনেক বেশি হয়ে যায়।
কাজ শেখার পর আপনাকে বিভিন্ন ফ্রিলান্সিং সাইটে (যেমন: Freelancer, Upwork, Fiver, ইত্যাদি) আপনার তথ্য দিয়ে অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। এরপরে আপনি কোন কোন কাজে পারদর্শী, সেগুলো ওই সাইটে মেনশন করে দিতে হবে।
তবে একটা বিষয় আপনাকে অবশ্যই মনে রাখতে হবে। বর্তমান সময়ে অনলাইন ইনকাম সাইট অনেক আছে। কিন্তু সঠিক ও ভালো মানের সাইট খুব একটা নেই।
তাই, যেকোনো ওয়েবসাইটে কাজ শুরু করার আগে অবশ্যই ভালো ভাবে সাইটটি দেখে নিবেন। যদি সব কিছু দেখে আপনার কাছে ভালো বলে মনে হয়, কেবল তাহলেই আপনি সেই সাইটে কাজ করা শুরু করবেন।
তারপর, আপনি যে কাজ পারেন তার প্রমাণের জন্য আপনার পূর্বেই সম্পাদিত কোনো কাজ থাকলে সেটা পোর্টফোলিও আকারে ওই ওয়েবসাইটে ভালো ভাবে সাজিয়ে রাখতে হবে। এতে করে আপনার ক্লায়েন্ট এসে আপনার পোর্টফলিও দেখে পছন্দ করলে আপনাকে কাজে নিয়োজিত করবে।
আমাদের পরামর্শ থাকবে অবশ্যই ভালো একটা পোর্টফলিও তৈরী করার জন্য। কারণ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নতুন হিসাবে ওই পোর্টফোলিও গুলোই আপনাকে কাজ পেতে সহায়তা করবে।
প্রথম প্রথম আপনাকে কাজ পেতে একটি অসুবিধাও হতে পারে। সেক্ষেত্রে আপনার পরিচিতকেও যদি ফ্রিলান্সার থাকে, তার রেফারেন্স নিতে পারেন।
এই রেফারেন্স এর মাধ্যমে কাজ পেয়ে আপনার প্রথম ক্লায়েন্ট যখন আপনাকে ভালো একটা রিভিউ দিবে, তখন দেখবেন কাজ আসতেই থাকবে।
এছাড়াও প্রথমে গিয়ে বিভিন্ন কন্টেস্টে অংশগ্রহণ করতে পারেন। ওখান থেকেও ক্লায়েন্ট পেতে পারেন। আমাদের মতে, ফ্রিলান্সিং এর ক্ষেত্রে প্রথম কাজটা পাওয়াই একটু বেশিই কঠিন।
৭. ওয়েব ডিজাইন:
বর্তমানে কয়েক বিলিয়ন ওয়েবসাইট একটিভ (active) আছে। এগুলো ডিজাইন ওয়েব ডিজাইনাররা করে থাকে।
প্রতিটি জিনিস ডিজিটালাইজ হওয়ার কারণে নতুন নতুন ওয়েবসাইট তৈরি হচ্ছে। তাছাড়াও প্রতিটি কোম্পানি তাদের নিজেদের জন্য ওয়েবসাইট বানাচ্ছে। একবার ভেবে দেখুন তো,🙄 এই কাজের জন্য কত চাহিদা বাড়েছে ওয়েব ডিজাইনারদের।
ওয়েব ডিজাইনারের কাজ কি? এদের কাজ কোনো ওয়েব সাইটের ফন্টসাইট অর্থাৎ সাইটের যে অংশ আমরা দেখতে পাই, সেই অংশের ডিজাইন করা।
কাজ কোথায় পাব? যে কোনও মার্কেটপ্লেসে নিজে কাজের পোর্টফোলিও সহ প্রোফাইল তৈরি করে কাজে বিট (apply) করুন। বায়ার আপনাকে কাজটা দিলে করে দিবেন।
একজন ডিজাইনারের বেতন কত? প্রতিটি ওয়েবসাইটের জন্য $৫০-$৫০০+ ডলার পর্যন্ত চার্জ করতে পারবেন। অনেক,সময় ঘন্টাচুক্তি কাজ হয়, যেমন ঘন্টা প্রতি $৫০ ডলারে। তবে, এই কাজ শেখার জন্য ধৈর্য্য দরকার হয়।
৮. এপস ডেভলপার:
স্মার্টফোন ছাড়া তো ডিজিটাল এই পৃথিবী চিন্তা করা যায় না। প্রতিটি মানুষের হাতে আছে অ্যান্ড্রয়েড বা আইওএস ফোন। এই ফোনগুলো এপস ছাড়া একেবারেই অচল।
এতটুকু পড়েই বুঝতে পারছেন, এখানে কত বড় একটা মার্কেট তৈরী হয়েছে। এটা আপনার ক্যারিয়ারের জন্য বিশাল একটা সুযোগ। এটাকে সহজেই কাজে লাগাতে পারেন। অ্যাপস ডেভলপমেন্ট করে অনলাইন থেকে প্রচুর পরিমাণে আয় করার সুযোগ আছে।
এপস ডেভলপারদের মার্কেট দুটো। অ্যন্ড্রয়েড এর জন্য প্লে-স্টোর আর অ্যাপল এর জন্য রয়েছে এপস-স্টোর। আপনি যেকোনো একটা শিখতে পারেন। তবে যেটা শিখবেন ভালো করে, কারণ ফ্রিল্যাসিং জগতে অদক্ষের কোনো ভাত নেই।
আপওয়ার্ক ডট কমে যেয়ে দেখতে পারেন, প্রতিটি এপস বানাতে কত বাজেট থাকে। একটি এপস ডেভেলপ করে প্রতিমাসে $১০০০-$৫০০০+ আয় করতে পারেন।
৯. গ্রাফিক্স ডিজাইনার:
ভিজ্যুয়াল কনটেন্ট, হিউম্যান হিসেবে আমাদের সবারই প্রিয়। আমাদের আশেপাশে বই কভার থেকে বিস্কুটের প্যাকেট পযর্ন্ত যতই ডিজাইন সবই গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কাজ।
ইন্টরনেট জগতের কথা চিন্তা করলে একটি ওয়েবসাইটের লোগো থেকে অ্যাডের ব্যানার একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার করে থাকে। এটুকু থেকে বুঝে যাওয়ার কথা, জগতে গ্রাফিক্স ডিজাইনারের চাহিদা কতটুকু।
গ্রাফিক্স ডিজাইনারের চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে। একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের চাহিদা বেশি হওয়ায় আপনাকে কাজ পেতে খুব একটা কষ্ট করতেই হবে না। অনলাইনে আয় করার জন্য গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখা যুগ উপযোগী সিদ্ধান্ত।
একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের মাসিক আয় কমপক্ষে $৩০০০–$১০,০০০+ পর্যন্ত হয়ে থাকে। আপনি কাজে যত দক্ষ ও ভালো মানের কাজ ডেলিভারি দিতে পারবেন, ততই ডিমান্ড ও ইনকাম বাড়তে থাকবে।
গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কাজের সেক্টর ভাগ করলে অনেকগুলো সাব-সেক্টর হয়। যেমন: লোগো ডিজাইন, বিজনেস-কার্ড ডিজাইন, ব্যানার ডিজাইন ইত্যাদিসহ আরো অনেক কিছু, যা এখানে আলোচনা করা যুক্তিযুক্ত নয়। তাই বিষয়টা গুগল করে দেখে নিবেন। এর যেকোনো ২-১ টি শিখেই আয় করা যায়।
সব জান্তা কিছুই ভালো করে জানে না। এজন্য সবগুলো শেখার চেষ্টা না করাই ভালো বলে আমি মনে করি। যেকোনো একটা বিষয়ে দক্ষ হতে হবে এখানে দক্ষতা মূল একটা হাতিয়ার।
১০. ভিডিও দেখে অনলাইন ইনকাম:
ভিডিও দেখে অনলাইন ইনকাম করার বিষয়টি হয়ত অনেকেই ভালোভাবে জানেন না। সত্যি কথা বলতে অনলাইন থেকে ভিডিও দেখে ইনকাম করার বিষয়টি অনেকের কাছে অবাক লাগলেও ঘটনাটি কিন্তু একেবারে সত্যিই।
বর্তমানে এমন কিছু ওয়েবসাইট রয়েছে, যেখানে আপনাকে প্রতিদিন ভিডিও দেখার জন্য পেমেন্ট করা হবে। তবে মনে রাখবেন, অনলাইনে ভিডিও দেখে ইনকাম করার মতো স্ক্যাম বা ভূয়া সাইট বহু রয়েছে।
যারা আপনাকে দিয়ে ভিডিও দেখিয়ে, পরবর্তীতে কোনো পেমেন্ট করবে না। এ ধরণের প্রতারণার হাত থেকে বাচঁতে অবশ্যই আপনাকে অনলাইন জগতে সবসময় সর্তক অবস্থায় থাকতে হবে।
সাধারণত এই ধরণের ওয়েবসাইটগুলো বিভিন্ন ধরনের চটকদারী বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের মাধ্যমে আপনাকে চেষ্টা করবে, তাদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনাকে ভিডিও দেখিয়ে আয় করার ফাঁদে ফেলার। একটা বিষয় সব সময়ই মনে রাখবেন, অনলাইনে কখনই কোনো ওয়েবসাইট আপনাকে ভিডিও দেখে খুব বেশি পেমেন্ট করবে না।
যখনই দেখবেন কোনো ওয়েবসাইট মাত্রাতিরিক্ত পেমেন্ট করার কথা বলছে কিংবা কোনো চটকদারী বিজ্ঞাপনের কথা বলে আপনাকে তাদের ওয়েবসাইটে আয়ের কথা বলছে; তখনই ওয়েবসাইটটিকে খুব ভালো ভাবে দেখে শুনে যদি সত্যিকার অর্থেই আসল বলে মনে হয়, তখন কাজ করা শুরু করবেন; অন্যথায় কিন্তু নয়।